অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর :-
১. "রত্নের মূল্য জহুরির কাছেই।”—কাকে জহুরি বলা হয়েছে?
উত্তর » ‘জ্ঞানচক্ষু' গল্পে তপনের নতুন লেখক মেসোকে জহুরি বলা হয়েছে।
২. “কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল”—কোন্ কথা শুনে তপনের চোখ মারবেল হয়ে গেল?
উত্তর » তপন শুনেছে তার নতুন মেসোমশাই লেখক। তিনি বই লেখেন এবং সে বই ছাপাও হয়। এ কথা শুনে তপনের চোখ মারবেল হয়ে গেল।
৩. “এ বিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের” কোন্ বিষয়ে তপনের সন্দেহ ছিল?
উত্তর → লেখকরা যে আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের মতো অর্থাৎ তপনের বাবা, ছোটোমামা বা মেজোকাকুর মতোই মানুষ, সেই বিষয়ে তপনের সন্দেহ ছিল।
৪. “তাই মেসো শ্বশুরবাড়িতে এসে রয়েছেন কদিন”—মেসোর শ্বশুরবাড়িতে থাকার কারণ কী?
উত্তর≈ তপনের নতুন প্রফেসার মেসোর কলেজে গরমের ছুটি চলছে, তাই তিনি দিন কয়েক শ্বশুরবাড়িতে এসে রয়েছেন।
৫. “তবে তপনেরই বা লেখক হতে বাধা কী?"তপনের লেখক হতে বাধা নেই কেন?
উত্তর ≈ তপন জেনে গেছে লেখকেরা আসলে কোনো আকাশ থেকে পড়া জীব নয়, তার মতোই মানুষ। তাই তপনেরও লেখক হতে বাধা নেই।
৬."ছোটোমাসি সেইদিকে ধাবিত হয়"— কোন্ দিকে ধাবিত হয়?
উত্তর ≈ তপনের নতুন মেসোমশাই দুপুর
বেলায় ভাতঘুম দিচ্ছিলেন। ছোটোমাসি তপনের লেখাটা নিয়ে সেই দিকে ধাবিত হয়।
৭. "মেসোর উপযুক্ত কাজ হবে সেটা”—
কোন্টা মেসোর উপযুক্ত কাজ হবে?
উত্তর ≈ তপনের গল্পটা ছাপিয়ে দেওয়াই
হবে লেখক মেসোর উপযুক্ত কাজ।
৮. "বিকেলে চায়ের টেবিলে ওঠে কথাটা”—কোন কথাটা চায়ের টেবিলে ওঠে?
উত্তর : তপন যে গল্পটি লিখেছিল, তা নিয়ে উঠেছিল। বিকেলে চায়ের টেবিলে কথাটি উঠেছিল।
৯. তপন প্রথম যে গল্পটি লিখেছিল তার
বিষয় কী ছিল?
উত্তর ≈ তপন প্রথমে যে গল্পটি লিখেছিল তার বিষয় ছিল তার স্কুলে ভরতি হওয়ার দিনের অভিজ্ঞতা আর অনুভূতি।
১০. "তপন বিহ্বল দৃষ্টিতে তাকায়”—কী
কারণে তপন বিহ্বল দৃষ্টিতে তাকায়?
উত্তর≈ তপনের গল্পের বিষয় সম্পর্কে জানতে পেরে নতুন মেসোমশাই প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, গল্পটা খুব ভালো হয়েছে। তার উন্নতি হবে। এ কথা শুনেই তপন বিহ্বল দৃষ্টিতে তাকায়।
১১.“গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল তপনের”— কী কারণে তপনের গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল?
উত্তর≈ এক নিস্তব্ধ দুপুরবেলায় তপন একবারে বসে একটা গোটা গল্প লিখে ফেলেছিল। নিজের এই সৃষ্টির আনন্দে রোমান্বিত হয়ে তপনের গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল।
১২.“এমন সময় ঘটল সেই ঘটনা”—
কোন ঘটনার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর≈ দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তপন দেখল তার ছোটোমাসি আর মেসো বেড়াতে এসেছেন ও মেসোর হাতে একটি সন্ধ্যাতারা পত্রিকা। এখানে এই ঘটনার কথাই বলা হয়েছে।
১৩. “বুকের রক্ত ছলকে ওঠে তপনের”— কী কারণে তপনের বুকে রক্ত ছলকে উঠেছিল?
উত্তর≈ নতুন মেসোমশাই সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপাবেন বলে তপনের লেখা গল্পটি নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সন্ধ্যাতারা পত্রিকা হাতে মেসোমশাইকে আসতে দেখে উত্তেজনায় তপনের বুকের রক্ত ছলকে উঠেছিল।
১৪. “ক্রমশ ও কথাটাও ছড়িয়ে পড়ে"— কোন্ কথাটা ছড়িয়ে পড়ে?
উত্তর≈ তপনের লেখা গল্পটি তার নতুন মেসোমশাই ‘কারেকশান' করেছিলেন। এই কথাই ক্রমশ বাড়িতে ছড়িয়ে পড়েছিল।
১৫. “তপনের মনে হয় আজ যেন তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন" – কেন তপন এরূপ মনে করেছিল?
উত্তর≈ তপনের লেখা গল্প তার মেসোমশাই এমনভাবে সংশোধন করেছিলেন যে, গল্পের মধ্যে তপন নিজের আসল লেখাটিই খুঁজে পায়নি। তাই দিনটিকে তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন বলে মনে হয়েছে।


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন