সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

দশম শ্রেণীর বাংলা বিষয় :- জ্ঞানচক্ষু গল্পের অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

 


অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর :-

১. "রত্নের মূল্য জহুরির কাছেই।”—কাকে জহুরি বলা হয়েছে?


উত্তর » ‘জ্ঞানচক্ষু' গল্পে তপনের নতুন লেখক মেসোকে জহুরি বলা হয়েছে।


২. “কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল”—কোন্ কথা শুনে তপনের চোখ মারবেল হয়ে গেল?


উত্তর » তপন শুনেছে তার নতুন মেসোমশাই লেখক। তিনি বই লেখেন এবং সে বই ছাপাও হয়। এ কথা শুনে তপনের চোখ মারবেল হয়ে গেল।


৩. “এ বিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের” কোন্ বিষয়ে তপনের সন্দেহ ছিল?

 উত্তর → লেখকরা যে আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের মতো অর্থাৎ তপনের বাবা, ছোটোমামা বা মেজোকাকুর মতোই মানুষ, সেই বিষয়ে তপনের সন্দেহ ছিল।


৪. “তাই মেসো শ্বশুরবাড়িতে এসে রয়েছেন কদিন”—মেসোর শ্বশুরবাড়িতে থাকার কারণ কী?


উত্তর≈ তপনের নতুন প্রফেসার মেসোর কলেজে গরমের ছুটি চলছে, তাই তিনি দিন কয়েক শ্বশুরবাড়িতে এসে রয়েছেন। 

৫. “তবে তপনেরই বা লেখক হতে বাধা কী?"তপনের লেখক হতে বাধা নেই কেন?


উত্তর ≈ তপন জেনে গেছে লেখকেরা আসলে কোনো আকাশ থেকে পড়া জীব নয়, তার মতোই মানুষ। তাই তপনেরও লেখক হতে বাধা নেই।


৬."ছোটোমাসি সেইদিকে ধাবিত হয়"— কোন্ দিকে ধাবিত হয়? 

উত্তর ≈ তপনের নতুন মেসোমশাই দুপুর

বেলায় ভাতঘুম দিচ্ছিলেন। ছোটোমাসি তপনের লেখাটা নিয়ে সেই দিকে ধাবিত হয়।

 ৭. "মেসোর উপযুক্ত কাজ হবে সেটা”—

কোন্‌টা মেসোর উপযুক্ত কাজ হবে? 

উত্তর ≈ তপনের গল্পটা ছাপিয়ে দেওয়াই

হবে লেখক মেসোর উপযুক্ত কাজ। 

৮. "বিকেলে চায়ের টেবিলে ওঠে কথাটা”—কোন কথাটা চায়ের টেবিলে ওঠে? 


উত্তর : তপন যে গল্পটি লিখেছিল, তা নিয়ে উঠেছিল। বিকেলে চায়ের টেবিলে কথাটি উঠেছিল। 

 ৯. তপন প্রথম যে গল্পটি লিখেছিল তার

বিষয় কী ছিল? 

উত্তর ≈ তপন প্রথমে যে গল্পটি লিখেছিল তার বিষয় ছিল তার স্কুলে ভরতি হওয়ার দিনের অভিজ্ঞতা আর অনুভূতি। 

১০. "তপন বিহ্বল দৃষ্টিতে তাকায়”—কী

কারণে তপন বিহ্বল দৃষ্টিতে তাকায়? 

উত্তর≈ তপনের গল্পের বিষয় সম্পর্কে জানতে পেরে নতুন মেসোমশাই প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, গল্পটা খুব ভালো হয়েছে। তার উন্নতি হবে। এ কথা শুনেই তপন বিহ্বল দৃষ্টিতে তাকায়।


১১.“গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল তপনের”— কী কারণে তপনের গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল? 

উত্তর≈ এক নিস্তব্ধ দুপুরবেলায় তপন একবারে বসে একটা গোটা গল্প লিখে ফেলেছিল। নিজের এই সৃষ্টির আনন্দে রোমান্বিত হয়ে তপনের গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। 


১২.“এমন সময় ঘটল সেই ঘটনা”—

কোন ঘটনার কথা বলা হয়েছে? 

উত্তর≈ দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তপন দেখল তার ছোটোমাসি আর মেসো বেড়াতে এসেছেন ও মেসোর হাতে একটি সন্ধ্যাতারা পত্রিকা। এখানে এই ঘটনার কথাই বলা হয়েছে।


১৩. “বুকের রক্ত ছলকে ওঠে তপনের”— কী কারণে তপনের বুকে রক্ত ছলকে উঠেছিল?

উত্তর≈ নতুন মেসোমশাই সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপাবেন বলে তপনের লেখা গল্পটি নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সন্ধ্যাতারা পত্রিকা হাতে মেসোমশাইকে আসতে দেখে উত্তেজনায় তপনের বুকের রক্ত ছলকে উঠেছিল। 


১৪. “ক্রমশ ও কথাটাও ছড়িয়ে পড়ে"— কোন্ কথাটা ছড়িয়ে পড়ে? 

উত্তর≈ তপনের লেখা গল্পটি তার নতুন মেসোমশাই ‘কারেকশান' করেছিলেন। এই কথাই ক্রমশ বাড়িতে ছড়িয়ে পড়েছিল।


১৫. “তপনের মনে হয় আজ যেন তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন" – কেন তপন এরূপ মনে করেছিল?


উত্তর≈ তপনের লেখা গল্প তার মেসোমশাই এমনভাবে সংশোধন করেছিলেন যে, গল্পের মধ্যে তপন নিজের আসল লেখাটিই খুঁজে পায়নি। তাই দিনটিকে তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন বলে মনে হয়েছে।




মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সর্বনাম পদ কী ও তার শ্রেণী বিভাগ :-

  যে পদ কোনো বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। যেমন—আমি, তুমি, সে. তারা ইত্যাদি।                  [ সর্বনাম পদের প্রকারভেদ ] ১। ব্যক্তিবাচক সর্বনাম :- যে সর্বনাম পদ কোনো ব্যক্তিকে বোঝায়, তাকে ব্যক্তিবাচক সর্বনাম পদ বলে। জামন – আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, আমাদের, তোমাদের, সে, তিনি, আপনি, তুই ইত্যাদি।  ২। নির্দেশক সর্বনাম :- যে সর্বনাম পদের সাহায্যে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়, সেই সর্বনাম পদকে নির্দেশক সর্বনাম পদ বলে। যেমন-এ, এরা, ইনি, ওরা, উনি ইত্যাদি। ৩। অনির্দেশক সর্বনাম :- যে সর্বনাম পদ অনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তু বা ভাবের পরিবর্তে বসে, তাকে অনির্দেশক সর্বনাম পদ বলে। যেমন—কেউ, কেহ কাহার, কার, কাহাকে, কাকে, কোনো কোনো ইত্যাদি।  ৪। প্রশ্নবাচক সর্বনাম :- যে সর্বনাম পদের কোনো কিছু জানবার ইচ্ছা প্রকাশ পায়, তাকে প্রশ্নবাচক সর্বনাম পদ বলে। যেমন— কে, কখন, কেন, কি ইত্যাদি। ৫। সাকল্যবাচক সর্বনাম :- যে সর্বনাম পদের সাহায্যে ব্যক্তির বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। যেমন—সকল, সমস্ত সবাই, উভয় ইত...

বেকারত্ব (Unemployment ) ও তার কারন - প্রবন্ধ রচনা

  বেকারত্ব হল এখন দেশের বৃহৎ সামাজিক ও অর্থনৈতিক রোগ । ইংরেজি আনএমপ্লোয়মেন্ট (Unemployment) শব্দটি থেকে বেকারত্ব শব্দটি এসেছে। একজন মানুষ যখন তার পেশা হিসেবে কাজ খুজে পায় না তখন যে পরিস্থিতির হয় তাকে বেকারত্ব বলে। বেকারত্বের কারণ:- দ্রুত হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি:- ভারতে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির দরুন যে হারে কর্মপ্রার্থীর সংখ্যা বাড়ছে সেই হারে কাজের সুযােগ বাড়ছে না। কাজের আশায় গ্রামাঞ্চল থেকে কমপ্রার্থীরা শহর অঞলে এসে ভিড় করছে এবং এজন্য শহরাঞলে কাজের জন্য কর্মপ্রার্থীদের চাপ বাড়ছে। অথচ সেই অনুপাতে কাজের সুযােগ বাড়ছে না। ফলস্বরূপ দেশে বেকারত্ব বেড়ে যাচ্ছে। শ্লথ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি:- স্বাধীনতার প্রায় ৭০ বছর পরেও ভারতের মতাে দেশে অর্থনৈতিক অনগ্রসরতা রয়ে গেছে। অর্থনৈতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র, যেমন—কৃষি, শিল্প, যােগাযােগ ও পরিবহণ ইত্যাদির বৃদ্ধির হার অত্যন্ত নিম্ন। ফলে এই সমস্ত ক্ষেত্রে নিয়ােগের হার অত্যন্ত কম যা বেকারত্বের সমস্যাকে ঘনীভূত করে তুলেছে। অনুপযুক্ত প্রযুক্তি:- ভারতে জনসংখ্যার আধিক্য হেতু উৎপাদন ব্যবস্থা শ্রমনির্ভর প্রযুক্তিসম্পন্ন হওয়া প্রয়ােজন। জনসংখ্যার হার...