সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

সর্বনাম পদ কী ও তার শ্রেণী বিভাগ :-

  যে পদ কোনো বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। যেমন—আমি, তুমি, সে. তারা ইত্যাদি।                  [ সর্বনাম পদের প্রকারভেদ ] ১। ব্যক্তিবাচক সর্বনাম :- যে সর্বনাম পদ কোনো ব্যক্তিকে বোঝায়, তাকে ব্যক্তিবাচক সর্বনাম পদ বলে। জামন – আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, আমাদের, তোমাদের, সে, তিনি, আপনি, তুই ইত্যাদি।  ২। নির্দেশক সর্বনাম :- যে সর্বনাম পদের সাহায্যে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়, সেই সর্বনাম পদকে নির্দেশক সর্বনাম পদ বলে। যেমন-এ, এরা, ইনি, ওরা, উনি ইত্যাদি। ৩। অনির্দেশক সর্বনাম :- যে সর্বনাম পদ অনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তু বা ভাবের পরিবর্তে বসে, তাকে অনির্দেশক সর্বনাম পদ বলে। যেমন—কেউ, কেহ কাহার, কার, কাহাকে, কাকে, কোনো কোনো ইত্যাদি।  ৪। প্রশ্নবাচক সর্বনাম :- যে সর্বনাম পদের কোনো কিছু জানবার ইচ্ছা প্রকাশ পায়, তাকে প্রশ্নবাচক সর্বনাম পদ বলে। যেমন— কে, কখন, কেন, কি ইত্যাদি। ৫। সাকল্যবাচক সর্বনাম :- যে সর্বনাম পদের সাহায্যে ব্যক্তির বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। যেমন—সকল, সমস্ত সবাই, উভয় ইত...
সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

দশম শ্রেণীর বাংলা - অসুখী একজন

  অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নাবলি :- ১. “আমি তাকে ছেড়ে দিলাম।”—কবি কাকে ছেড়ে দিয়েছিলেন? উত্তর ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কবি তাঁর প্রিয়তমাকে ছেড়ে দিয়েছিলেন। ২. যে পথ দিয়ে কবি চলে গিয়েছিলেন সেই পথ দিয়ে আর কে কে গেল? উত্তর → যে পথ দিয়ে কবি চলে গিয়েছিলেন সেই পথ দিয়ে একটা কুকুর এবং গির্জার এক নান চলে গেল। ৩. “নেমে এল তার মাথার ওপর।” ——কার মাথার ওপর কী নেমে এল? উত্তর » ‘অসুখী একজন' কবিতায় কবির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটির রইল। মাথার ওপর পরপর পাথরের মতো বছরগুলো নেমে এল। ৪. “তারপর যুদ্ধ এল।”—যুদ্ধকে সঙ্গে কবি তুলনা করেছেন? উত্তর » ‘অসুখী একজন’ কবিতায় যুদ্ধকে কবি রক্তের এক আগ্নেয়পাহাড়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন। ৫. যুদ্ধে কারা খুন হয়েছিল? উত্তর » ‘অসুখী একজন’ কবিতায় যুদ্ধে শিশু আর বাড়িরা খুন হয়েছিল। ৬. গোলাপি গাছের পাতা কেমন ছিল? উত্তর » ‘অসুখী একজন’ কবিতায় উল্লিখিত | গোলাপি গাছের পাতা ছিল ছড়ানো করতলের মতো। ৭. কোথায় কাঠকয়লা ছড়িয়ে রইল? উত্তর » আগে যেখানে শহর ছিল ভয়ংকর যুদ্ধের প্রভাবে সেখানে কাঠকয়লা ছড়িয়ে ৮. “রক্তের একটা কালো দাগ।”—–—রক্তের কীসের দাগ কালো কেন? উত্...

দশম শ্রেণীর বাংলা বিষয় :- জ্ঞানচক্ষু গল্পের অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

  অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর :- ১. "রত্নের মূল্য জহুরির কাছেই।”—কাকে জহুরি বলা হয়েছে? উত্তর » ‘জ্ঞানচক্ষু' গল্পে তপনের নতুন লেখক মেসোকে জহুরি বলা হয়েছে। ২. “কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল”—কোন্ কথা শুনে তপনের চোখ মারবেল হয়ে গেল? উত্তর » তপন শুনেছে তার নতুন মেসোমশাই লেখক। তিনি বই লেখেন এবং সে বই ছাপাও হয়। এ কথা শুনে তপনের চোখ মারবেল হয়ে গেল। ৩. “এ বিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের” কোন্ বিষয়ে তপনের সন্দেহ ছিল?  উত্তর → লেখকরা যে আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের মতো অর্থাৎ তপনের বাবা, ছোটোমামা বা মেজোকাকুর মতোই মানুষ, সেই বিষয়ে তপনের সন্দেহ ছিল। ৪. “তাই মেসো শ্বশুরবাড়িতে এসে রয়েছেন কদিন”—মেসোর শ্বশুরবাড়িতে থাকার কারণ কী? উত্তর≈ তপনের নতুন প্রফেসার মেসোর কলেজে গরমের ছুটি চলছে, তাই তিনি দিন কয়েক শ্বশুরবাড়িতে এসে রয়েছেন।  ৫. “তবে তপনেরই বা লেখক হতে বাধা কী?"তপনের লেখক হতে বাধা নেই কেন? উত্তর ≈ তপন জেনে গেছে লেখকেরা আসলে কোনো আকাশ থেকে পড়া জীব নয়, তার মতোই মানুষ। তাই তপনেরও লেখক হতে বাধা নেই। ৬."ছোটোমাসি সেইদিকে ধাবিত হয়"— কোন্ দিকে ধাবিত হয়?  উত্তর ≈ তপনের ন...

বেকারত্ব (Unemployment ) ও তার কারন - প্রবন্ধ রচনা

  বেকারত্ব হল এখন দেশের বৃহৎ সামাজিক ও অর্থনৈতিক রোগ । ইংরেজি আনএমপ্লোয়মেন্ট (Unemployment) শব্দটি থেকে বেকারত্ব শব্দটি এসেছে। একজন মানুষ যখন তার পেশা হিসেবে কাজ খুজে পায় না তখন যে পরিস্থিতির হয় তাকে বেকারত্ব বলে। বেকারত্বের কারণ:- দ্রুত হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি:- ভারতে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির দরুন যে হারে কর্মপ্রার্থীর সংখ্যা বাড়ছে সেই হারে কাজের সুযােগ বাড়ছে না। কাজের আশায় গ্রামাঞ্চল থেকে কমপ্রার্থীরা শহর অঞলে এসে ভিড় করছে এবং এজন্য শহরাঞলে কাজের জন্য কর্মপ্রার্থীদের চাপ বাড়ছে। অথচ সেই অনুপাতে কাজের সুযােগ বাড়ছে না। ফলস্বরূপ দেশে বেকারত্ব বেড়ে যাচ্ছে। শ্লথ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি:- স্বাধীনতার প্রায় ৭০ বছর পরেও ভারতের মতাে দেশে অর্থনৈতিক অনগ্রসরতা রয়ে গেছে। অর্থনৈতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র, যেমন—কৃষি, শিল্প, যােগাযােগ ও পরিবহণ ইত্যাদির বৃদ্ধির হার অত্যন্ত নিম্ন। ফলে এই সমস্ত ক্ষেত্রে নিয়ােগের হার অত্যন্ত কম যা বেকারত্বের সমস্যাকে ঘনীভূত করে তুলেছে। অনুপযুক্ত প্রযুক্তি:- ভারতে জনসংখ্যার আধিক্য হেতু উৎপাদন ব্যবস্থা শ্রমনির্ভর প্রযুক্তিসম্পন্ন হওয়া প্রয়ােজন। জনসংখ্যার হার...

প্রবন্ধ রচনা - অতিমারি কোভিড -১৯

 “মন্বন্তরে মরিনি আমরা মারী নিয়ে ঘর করি"                                         —সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত  কবির এই অমোঘ উক্তি বোধ করি আজ আর শুধুমাত্র বাঙালির কাছে অনুপ্রেরণার নয়—এ উক্তি আজ জাতীয় মঞ্চ থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চের অনুপ্রেরণার রসদ হওয়ার যোগ্য। হ্যাঁ, অতিমারি কোভিড-১৯ যেভাবে দেশকালের বেড়া অতিক্রম করে মানুষের সঙ্গে বৈরিতায় নেমেছে—তা থেকে মুক্তি পেতে আমাদের লড়াই জারি থাকবে। পৃথিবীব্যাপী এর আগেও নানান মহামারী মানুষ নিধনে সামিল হয়েছে—সেদিন যদি তাদের প্রতিহত করতে পারে মানুষ তবে আজও পারবে। উৎস ও আকৃতি :- ভাইরাসটি চিনের উহান প্রদেশের বেশ কিছু ব্যক্তির নিউমোনিয়া পরীক্ষার সময় ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯-এ মানুষের সমক্ষে আসে। ভাইরাসটি 'Crowned appearence' বলে নামটি হল ‘কোরনা’ ভাইরাস। ‘কোরনা’ ভাইরাস গোত্রটি কিন্তু সাধারণ ঠান্ডা লাগাইত্যাদিতে বহুদিন থেকেই সক্রিয় কিন্তু বর্তমান ‘নোবেল কোরনা ভাইরাস’ যার চরিত্র একটু আলাদা এবং এই ভাইরাসটিই SARS (It cause a kind severe acute Respiratory Syndr...

প্রবন্ধ রচনা - বাংলার উৎসব

ভূমিকা : উৎসব হলো আনন্দময় অনুষ্ঠান। আর আমরা বাঙালিরা উৎসব প্রিয়। উৎসবের মধ্যেই রয়েছে বাঙালির আনন্দ তাই বাঙালির ভাগ্যাকাশে দুর্যোগের মেঘ বার বার ঘনিয়ে এলেও বাঙালির আনন্দস্রোতে ভাটা কখনো পড়েনি। বাঙালি নানান রঙে বার বার সাজিয়েছে তার উৎসবের ডালি। উৎসবের দিনের আনন্দের মুহূর্ত গুলোকে বাঙালি ছড়িয়ে রেখেছে তার বিস্তৃত জীবনের আঙিনায়। উৎসবের শ্রেণীকরণ : বাংলার উৎসব গুলিকে মূলত চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। যথা: (i) ধর্মীয় উৎসব (ii) সামাজিক উৎসব (iii) ঋতু উৎসব (iv) জাতীয় উৎসব তবে উৎসবকে সুনির্দষ্টভাবে ভাবে বিভাজন করা যায় না। যেমন কিছু উৎসব ঋতু বিষয়ক উৎসব বলে গণ্য কিন্তু ভালো করে বিশ্লেষন করলে দেখা যাবে তার মূলে ধর্ম নিহিত রয়েছে। ধর্মীয় উৎসব : ধর্মীয় উৎসব গুলি বিভিন্ন ধর্মীয় বিশ্বাস ও ভাবনাকে কেন্দ্র করে। হিন্দু মুসমান খ্রিস্টান বৌদ্ধ শিথ প্রতিটি ধর্মের নানান রকমের উৎসব। সারা বছর ধরে একই ভাবে বাঙালির উৎসবের আমেজ। হিন্দু ধর্মের নানান রকমের পুজো পার্বণের উৎসব। যাদের মধ্যে অন্যতম দুর্গোৎসব। এই দুর্গোৎসব-ই হলো বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। শরৎ কাল এলেই বাংলার বুকে বেজে ওঠে ঢাকের বাদ্যি। সামাজিক...